মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে নতুন কৌশলের দিকে এগোচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি দৈনিক প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বলে বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে।
সম্প্রতি দেশটি ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোট থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর উপসাগরীয় জ্বালানি রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু অর্থনৈতিক নয়—বরং আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ওপেকের ভেতরে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে নীতিগত টানাপোড়েন ছিল। আমিরাত এখন দামের চেয়ে বাজার দখলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এবং নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব বাড়াতে চাইছে।
দেশটি ইতোমধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন বাড়াতে বিপুল বিনিয়োগ করছে এবং ‘মুরবান’ ক্রুডকে আন্তর্জাতিক বাজারে একটি মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এতে বৈশ্বিক তেলের দাম কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন ওপেকের ঐতিহ্যবাহী সমন্বিত মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন প্রতিযোগিতার যুগ শুরু হতে পারে।
Leave a comment