জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের সরকার ও মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠক করেছেন।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এসব তথ্য জানান।
২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তারেক রহমান। বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। জাতিসংঘসহ বহুপক্ষীয় ফোরামে দুই দেশের সহযোগিতা ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে আনুতিনের পর বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
এ ছাড়া সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে দুই দেশের স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারির ভূমিকা জোরদার এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকগুলোতে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ও বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Leave a comment