সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও এবং সংবাদ নজরে রাখছে দলটি। এ ঘটনায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দলটি জানায়, গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনার তথ্য সংগ্রহ শেষে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে সোমবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার সকালে জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ভিডিওটি তাঁদের নজরে এসেছে। গাজী নজরুল ইসলাম তাঁদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা নারী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।
এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামও একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেন। এতে তিনি দাবি করেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে ওই ঘটনার ভিডিওর একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে, কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে বহিষ্কৃত হলে তাঁর সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকবে কি না, তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠানো আবেদনের ওপর। অতীতে এ ধরনের উভয় ধরনের নজির রয়েছে।
Leave a comment