ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী আলী শামখানিকে দেশের সর্বস্তরের মানুষ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানিয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) তেহরানে শোকাতুর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজা ও দাফন। উত্তর তেহরানের ইমামজাদে সালেহ মাজার চত্বরে হাজার হাজার মানুষ প্রিয় নেতাকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানান। জানাজার সময় উপস্থিত ছিলেন দেশের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। জানাজার শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। দাফনের সময় জনতা মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
৭০ বছর বয়সী আলী শামখানি ছিলেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) বর্ষীয়ান কমান্ডার। গত বছরের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের পর তার অভিজ্ঞতা ও কৌশলের ওপর ভরসা করে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তাকে ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেন।
শামখানি কেবল একজন সামরিক নেতা ছিলেন না; আঞ্চলিক কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা কৌশলেও তিনি খামেনির অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সচিব হিসেবে তার দীর্ঘকালীন ভূমিকা দেশের নিরাপত্তা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে পরিচালিত মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান অভিযানে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সঙ্গে আলী শামখানিও প্রাণ হারান। তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশলগত দিককে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
Leave a comment