দেশের ছয় জেলায় বিপুল ব্যয়ে নির্মিত কিন্তু বছরের পর বছর অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন। বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, এসব হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন করে আগামী ২ জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চালুর নির্দেশ পাওয়া হাসপাতালগুলো হলো—
রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল, বরিশাল শিশু হাসপাতাল, কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল এবং সিলেট জেলা হাসপাতাল।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান দ্রুত চালুর উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে ১২ এপ্রিল “৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে” শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জনবল, সরঞ্জাম ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় হাসপাতালগুলো চালু করা সম্ভব হয়নি এবং অবকাঠামো নষ্ট হচ্ছে।
এছাড়া নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসকে সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
Leave a comment