ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিত আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গত দুই দশক ধরে ইরান সরকার জনগণের কল্যাণের চেয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। খবর আল–জাজিরার।
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে—এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে থাকলে ঝুঁকি থাকবেই।’
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে তাঁর অভিযোগ, দেশটির সরকার দীর্ঘদিন ধরে জনগণের উন্নয়নের পরিবর্তে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।
তেহরানের হামলা চালানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ‘আমার মতে, এটি প্রমাণ করে যে গত ২০ বছর ধরে ইরান এই খাতেই তাদের অর্থ বিনিয়োগ করে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের সামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু গত ২০ বছর ধরে তারা দেশের মানুষের জন্য অর্থ ব্যয় না করে অস্ত্রধারী গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি গড়ে তুলতেই অর্থ ব্যয় করেছে।’
Leave a comment