সংস্কৃতি অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক, নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত। এই অর্জন তিনি দেশের কোটি দর্শকের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নিজের অনুভূতি জানিয়ে এক বার্তায় তিনি বলেন, এই সম্মাননা শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং যারা তাকে ভালোবেসেছেন, সমর্থন করেছেন এবং দীর্ঘ পথচলায় পাশে থেকেছেন—তাদের সবার সম্মিলিত প্রাপ্তি।
হানিফ সংকেত বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এ বছর আমাকে সংস্কৃতিতে ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করেছে। এই অর্জন আমার একার নয়। যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে—এই অর্জন তাদের সবার।”
তিনি আরও বলেন, “আজকের এই আনন্দের দিনে আমি তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই পুরস্কার আমি আমার লক্ষ-কোটি দর্শকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি।”
হানিফ সংকেত মনে করেন, একটি সমাজকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা সমাজকে আলোকিত করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারে।
স্বাধীনতা পদক পাওয়ার পরও নিজের দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেছে বলে মনে করেন হানিফ সংকেত। তিনি জানান, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে যেতে চান। তিনি বলেন, “আমৃত্যু আমি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় দেশের জন্য কাজ করে যেতে চাই।” একই সঙ্গে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
নিজের বার্তার শেষাংশে হানিফ সংকেত বলেন, “আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।”
স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
Leave a comment