যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ঘিরে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর মেয়ে, জামাতা এবং নাতি ওই অভিযানে নিহত হয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি দাবি করে, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার সময় খামেনির পরিবারের এই তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। তবে ঘটনাটি ঠিক কোথায় বা কীভাবে ঘটেছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিহতদের পরিচয়ও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এই দাবির বিষয়ে এখনো স্বাধীন আন্তর্জাতিক যাচাই পাওয়া যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। তিনি পোস্টে খামেনিকে ইতিহাসের অন্যতম ‘নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ উল্লেখ করে বলেন, তিনি “মারা গেছেন”।
ট্রাম্পের এ বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর দাবি সত্য হয়, তবে তা ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ও ক্ষমতার ভারসাম্যে গভীর প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।
Leave a comment