ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর পর যিনি নেতৃত্বে আসবেন, তাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে—এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে বলেন, তেহরান যাকেই পরবর্তী নেতা হিসেবে সামনে আনুক না কেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালিয়ে গেলে তাকে ‘বৈধ সামরিক লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
কাটজের ভাষায়, “নাম বা অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করলে তাকে নির্মূলের চেষ্টা করা হবে।” তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ইসরায়েল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে যাতে ইরানের জনগণ তাদের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সুযোগ পায়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কৌশল প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচিত অধিকাংশ ব্যক্তি এখন আর জীবিত নেই। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের “তৃতীয় ধাপ” শুরু হয়েছে এবং প্রথম দফার হামলাতেই বহু জ্যেষ্ঠ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, যাদের বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে ভাবা হয়েছিল, তাদের অনেকেই নিহত হয়েছেন; এমনকি পরবর্তীতে যাদের সামনে আনা হচ্ছিল, তারাও হামলার শিকার হয়েছেন বলে তথ্য রয়েছে। তার দাবি, প্রাথমিক হামলায় ৪৯ জনকে “সরিয়ে দেওয়া” হয় এবং পরবর্তী আঘাতেও নতুন নেতৃত্বের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ফলে ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
Leave a comment