সাভারে মসজিদের মাঠ থেকে ‘প্রেসার কুকার বোমা’ উদ্ধারের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় অজ্ঞাতনামা ছয় থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। ড্রামের ভেতরে কালো স্কচটেপে মোড়ানো একটি প্রেসার কুকার দেখতে পেয়ে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বুধবার সকাল আটটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি ঘিরে রাখে। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেন। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে তিনজনকে ওই বস্তুটি সেখানে রেখে যেতে দেখা গেছে। তাঁদের সঙ্গে আরও তিন থেকে চারজন জড়িত থাকতে পারেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ছয় থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্য মোহাম্মদ আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে সাভার মডেল থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদ আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার একটি তিনতলা ভবনের একটি কক্ষে অভিযান চালায় পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ও জঙ্গি দমন ইউনিট (সিটিটিসি) ও সাভার থানা-পুলিশ। এ সময় পাঁচটি ককটেল ও নয়টি পাইপ বোমা উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
Leave a comment