ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের বারামতী বিমানবন্দরে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে একটি ব্যক্তিগত বিমান বিধ্বস্ত হয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার সহ কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দীর্ঘ ইতিহাস ও রাজনৈতিক জীবনে শক্ত অবস্থান ধারণ করে থাকা অজিত পাওয়ারের এই আকস্মিক মৃত্যু গোটা রাজ্যজুড়ে ঢেউ তুলেছে, পাশাপাশি বিমান নিরাপত্তা ও জরুরি প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সময় সকাল সোয়া আটটার দিকে বিমানটি বারামতী বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করছিল। কিন্তু অবতরণে ব্যর্থ হয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগতিতে রানওয়ের কাছে একটি খোলার মাঠে বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমানে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে, ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে আছে। সেখানে ব্যাপক আগুন ও ঘন ধোঁয়া দেখা দেয়।
অজিত পাওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রবীণ শাসনতান্ত্রিক নেতা ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-র অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য। আজ তিনি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বারামতী যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
তার ব্যক্তিগত বিমান কেন জরুরি অবতরণের চেষ্টা করছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ও পুলিশের প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, বিমানটিতে কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা বৈমানিক সমস্যার কারণে পাইলট হয়তো জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তই নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিমানে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন, এবং সকলেই প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিমানকর্মী ও অন্যান্য পরিচিত সহকর্মীরা। যদিও নিহতদের নাম ও পরিচয় সরকারি ভাবে ঘোষিত হয়নি, তবে স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে শিগগিরই তা প্রকাশের কথা বলা হয়েছে।
Leave a comment