মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরান কঠোর প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছে। হামলার ঘটনায় রাজধানী তেহরানসহ অন্তত পাঁচটি প্রধান শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্ব বলছে, হামলার জবাব “কঠোর ও অপ্রত্যাশিত” হবে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিশেষ করে ইউনিভার্সিটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। একই সময়ে আরও কয়েকটি বড় শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলোকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা জানিয়েছেন, দেশের ওপর হামলার জবাব পরিকল্পিতভাবে দেওয়া হবে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, “শত্রুপক্ষকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য মূল্য দিতে হবে।” যদিও নির্দিষ্ট কোনো সময় বা কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া জানায়, তাহলে তা আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
Leave a comment