নিজ সন্তানের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের শাসন, স্নেহ ও যত্নের সীমারেখা এবং ধর্মীয় শিক্ষকদের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেন তিনি।
আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ লিখেছেন, ‘শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও সীমারেখা আছে। বিশেষত ধর্মীয় শিক্ষকের ক্ষেত্রে এই নৈতিকতা হতে হবে আরও কঠোর। “পিতার মতো” কিংবা “বড় ভাইয়ের মতো” কোনো পরিচয়ই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না। যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বোঝেন না, শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই তাঁর প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।’
অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, তদন্তের আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট করে।
তিনি আরও লেখেন, ‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হব—এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে? কোদালকে কোদাল বলতে না পারলে আমরা নিজেরাই শুধরাতে পারিনি, বাকিদের ওয়াজ করব কোন যোগ্যতায়!’
পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না। সন্তানের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না—এটাই তাঁর বক্তব্যের মূল কথা।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Leave a comment