চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। ভূমিকম্পে শত শত বাড়িঘর ধসে পড়েছে। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় উদ্ধারকাজ এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, তিব্বতের নাগকু শহরের বাকেন কাউন্টিতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। শহরটির জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাতে হতাহত ব্যক্তিদের এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত নাগকু বিস্তীর্ণ ও জনবিরল একটি পার্বত্য অঞ্চল। ভূমিকম্পে এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর। এতে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতির কারণে এসব এলাকায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর এ অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। ২০২৩ সালে চীনের গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জন নিহত হয়েছিলেন।
Leave a comment