ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ’ হুমকির বিপরীতে বিশ্ববাসীর নীরবতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একটি ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হলেও কেন আন্তর্জাতিক মহল নীরব রয়েছে।
ভিডিও বার্তায় গ্রেটা থুনবার্গ বলেন, বিশ্ব এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে গণহত্যা, একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া এবং মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য পরিবেশব্যবস্থার ধ্বংস—এসব বিষয়কে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ও বর্ণবাদী যুদ্ধাপরাধীরা দায়মুক্তি নিয়ে নির্বিঘ্নে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এভাবে নীরব থাকা মানে এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতাকে মেনে নেওয়া। যদিও বিশ্ব ইতোমধ্যে অনেক কিছু মেনে নিয়েছে, তবুও এখনো প্রতিবাদ জানানোর সময় শেষ হয়ে যায়নি। এখনই যদি মানুষ ‘থামো’ না বলে, তাহলে নিজেদের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়ার নৈতিক অধিকারও হারাবে।
Leave a comment