ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন (রোববার, ১৫ মার্চ) শেষে সংসদভিত্তিক সংবিধান সংস্কার বিষয় নিয়ে সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “সংসদে বিষয়টি এগিয়ে না গেলে স্বাভাবিকভাবেই রাজপথে আন্দোলনের পথ খুলে যাবে, তবে আমরা সেটা চাই না।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার তা বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে নয়, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। “এটি কার্য উপদেষ্টা কমিটির বিষয় নয়, এটি সংসদের বিষয়। সংসদে সমাধান হোক,” তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াত আমির বলেন, প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে যেটা হয়েছে, একাংশকে সংবিধানের বাইরে গেলেও মানতে হবে, আরেকাংশ বাইরে গেলে তা মানা হবে না—যা দ্ব্যর্থহীন নয়। তিনি জানান, অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উত্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। স্পিকার এক ঘণ্টা পরে বিষয়টি আলোচনার জন্য স্লট প্রদান করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, শপথ গ্রহণ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন, গণভোটের ফলাফল—এগুলো সবই জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে মিলিয়ে দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। “শতকরা ৭০ ভাগ জনগণ সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সেই গণভোটের ফলাফল এখন কি হবে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি,” তিনি বলেন।
সংসদে সংবিধান সংস্কারের দ্রুত বাস্তবায়ন ও জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে জামায়াত আমিরের বক্তব্য ছিল স্পষ্ট—রাজপথে আন্দোলনই শেষ বিকল্প, তবে এটি এড়িয়ে গিয়ে সংসদীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আশা করছেন তিনি।
Leave a comment