ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ‘শফিক ডাকাত’ নামে পরিচিত শফিক মিয়াকে ঘিরে ফের আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলাসহ নানা অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাবের গোয়েন্দা শাখার তিন সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচনায় আসে কথিত ‘শফিক বাহিনী’। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে শফিকের পাঁচ সহযোগীকে আটক করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, শফিক মিয়ার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের একটি বাহিনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভয়ভীতির কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
মঙ্গলবার রাতে র্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে নবীনগর থানায় করা মামলায় শফিক মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, এক যুগের বেশি সময় ধরে খাগাতুয়া গ্রামে শফিক বাহিনীর প্রভাব চলছে। গ্রামে সালিস, বাড়ি নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়েও তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, শফিকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, পুলিশের ওপর হামলা এবং মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেন, শফিক একজন চিহ্নিত অপরাধী। তাঁকে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Leave a comment