রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে রিমান্ড শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশি হেফাজতের পরিবর্তে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে সিআইডি। অপরদিকে তাঁর পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তৌহিদ আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্লগ ও ভ্রমণনির্ভর কনটেন্ট তৈরি করে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে। উল্লেখ্য, একই মামলায় নাসির উদ্দিনকে গত ১৭ আগস্ট গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় আসাদুল হক নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। মামলায় মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর আসামি। মামলায় নাসির উদ্দিন সাথী ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামও রয়েছে।
গত ২৪ আগস্ট বরিশালের বাংলাবাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে বিশেষ অভিযানে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ওই রাতেই তাঁকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর আদালতের অনুমতিতে তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
আজ আদালতে হাজির করার সময় তাঁকে কিছুটা ক্লান্ত ও নিস্তেজ দেখাচ্ছিল। সিঁড়ি ভাঙার সময়ও হাঁপাতে দেখা যায় তাঁকে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন আদালতে বলেন, তৌহিদ আফ্রিদি সরাসরি এ হত্যাকাণ্ডের এজাহারনামীয় আসামি এবং ঘটনাটির অন্যতম সহযোগী। তবে আসামিপক্ষ দাবি করে, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
আদালতের আদেশে রিমান্ড শেষে এখন তাঁকে কারাগারে রাখা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।
Leave a comment