যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। এর আগে একই দাবি করে বিবৃতি দেয় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি এবং আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করছে।
দ্বিতীয় এক পোস্টে গালিবাফ জানান, ইরান আগ্রাসনকারীদের ‘পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করছে এবং এই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত দেশটির কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করবেন।
গালিবাফের বক্তব্যের আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি ও যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে বাগাই জানান, যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিছু বন্ধু দেশের মাধ্যমে বার্তা এসেছে। এর জবাবে ইরান গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।
এর বিপরীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রায় একমতে পৌঁছেছে। তিনি জানান, আলোচনাগুলো অব্যাহত রয়েছে এবং উভয় পক্ষই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।
ট্রাম্প আরও বলেন, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জারেড কুশনার এই আলোচনায় সম্পৃক্ত রয়েছেন। যদিও ইরানের কোন নেতার সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
একইসঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে বোমা হামলা চালানো অব্যাহত থাকবে।
Leave a comment