নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক ব্যক্তিকে টাকা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষমা চেয়েছেন ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির। ভিডিওটি ঘিরে অনলাইনজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারণার সময় ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির সড়কের পাশে পান ও সিগারেট বিক্রি করা এক বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট তুলে দেন।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শাহরিয়ার কবির। সেখানে তিনি বলেন, গত শনিবার মিরপুর এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে জামায়াতের সমর্থনে গণসংযোগকালে ওই বিক্রেতার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। কথাবার্তার সময় তিনি জানতে পারেন, ওই দিন বিক্রি ভালো হয়নি। মানবিক বিবেচনায় এবং সবার সামনে তিনি এক হাজার টাকা দেন বলে দাবি করেন।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, একই স্থানে শিশুদের র্যাকেট কেনার জন্যও কিছু অর্থ উপহার দেন এবং উপস্থিত গণমাধ্যমকে স্পষ্টভাবে জানান, এ ঘটনাকে যেন ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করা হয়। তবে কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যম মানবিক সহায়তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শাহরিয়ার কবির বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত ও ব্যথিত। তারপরও যদি কেউ এতে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ওই বয়স্ক ব্যক্তি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে শাহরিয়ার কবির ধর্মীয় বক্তব্যের মাধ্যমে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার কথা বলেন। পরে চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকা তুলে দেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে চাঁদা বা অনুদান প্রদান বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারেন না।
Leave a comment