যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর চাপ সত্ত্বেও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিনি দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
এক বিবৃতিতে মিগেল দিয়াজ-কানেল বলেন, কিউবার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চাপকে ‘রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশের জনগণের স্বার্থেই নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানান।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কিউবার বর্তমান সরকারকে ঘিরে সমালোচনা এবং নেতৃত্ব পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে হাভানা এ ধরনের চাপকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বৈরিতার ধারাবাহিকতায় এই উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে উভয় পক্ষের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তুলছে।
কিউবার সরকার বলছে, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে কিউবার জনগণই, বাইরের কোনো শক্তি নয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের প্রশ্ন তুলে তাদের অবস্থান জোরালো করছে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ এবং কিউবার সরকারের অনড় অবস্থান—এই দুইয়ের সংঘাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a comment