ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে Israel Defense Forces (আইডিএফ)। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, তাদের বিমান বাহিনী ইরানি শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট একটি কম্পাউন্ডে আঘাত হেনেছে, যেখানে ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল অবস্থিত বলে দাবি করা হয়েছে।
আইডিএফের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় “বহুসংখ্যক গোলাবারুদ” ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও “গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি অবকাঠামো” লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
আইডিএফ আরও দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট কম্পাউন্ডটি অতীতে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ব্যবহার করতেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে গত সপ্তাহান্তে তিনি নিজ বাসভবনে নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইরানে চলমান হামলায় হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। Iranian Red Crescent Society-এর তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে Human Rights Activists in Iran (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৭৪২ জন বেসামরিক; তাদের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পাল্টা জবাবে ইরান আঞ্চলিক জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর এসেছে। সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাতের দাবি করা হয়েছে; সংযুক্ত আরব আমিরাতেও হামলার খবর মিলেছে।
এদিকে কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-এ হামলায় অন্তত ছয় মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
Leave a comment